মেনু নির্বাচন করুন

কুষ্টিয়া জেলা ব্র্যান্ডিং


লালন
ইউনেস্কোর বিশ্ব-ঐতিহ্যের তালিকায় আছে বাউল সংগীত। নিঃসন্দেহে এই স্বীকৃতি পেছনে প্রধান বিবেচনায় ছিল লালনের গান। বাউল শিরোমণি লালন শাহের (১৭৭২-১৮৯০) জন্মের স্থান-কাল নিয়ে মতানৈক্য আছে বটে, তবে তাঁর সাধনধাম হিসেবে ও সমাধির কারণে ছেঁউড়িয়া সকল বাউলের কাছে তীর্থস্থান। লালন শাহ ছাড়াও তাঁর সাধনসঙ্গিনীসহ আরও কয়েকজন সাধকের সমাধি রয়েছে এখানে। বাংলার লোকায়ত ধর্ম বাউল মতে বিশ্বাসীরা ছাড়াও সারাবছর এখানে পর্যটক-গবেষক-অনুরাগীদের আগমন ঘটে। তবে দোলপূর্ণিমায় লালন স্মরণোৎসব ও পহেলা কার্তিকে লালন তিরোধান দিবস-এর অনুষ্ঠানে সমস্ত এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। এখানে এলে অবস্থানরত কোনো বাউলের মধ্যে এক-দুজন সিদ্ধ-তত্ত¡জ্ঞানীর দেখা মিলতে পারে তাঁদের সাথে মতবিনিময় করতে কিংবা আপন মনে গেয়ে চলা কোনো এক বাউলের গান শুনতে দর্শনার্থীরা এক সুগভীর অধ্যাত্ম-ভাবনায় মগ্ন হয়ে পড়েন নিজের অজান্তেই।
‘আর কি হবে এমন জনম, বসবো সাধুর মেলে’





Share with :

Facebook Twitter